ট্রাম্পের এই মন্তব্য এক ধারাবাহিক বক্তব্যের অংশ। তিনি লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সিরিয়ার সামরিক হস্তক্ষেপকে সমর্থন জানিয়ে আসছেন। তাঁর মতে, প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা নাকি এ কাজে অত্যন্ত আগ্রহী।
সিরিয়া কর্তৃক হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ধারণাটি প্রথম প্রকাশ্যে আসে গত বছরের নভেম্বরে। মার্কিন দূত টম বারাক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্ট করেন।
শারার প্রথম ওয়াশিংটন সফরের পর বারাক লেখেন, ‘আইএস (ইসলামিক স্টেট), আইআরজিসি (ইরানি রেভোল্যুশনারি গার্ড), হামাস, হিজবুল্লাহ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের অবশিষ্টাংশ মোকাবিলা ও ধ্বংস করতে দামেস্ক আমাদের সক্রিয়ভাবে সহায়তা করবে। বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তারা আমাদের অন্যতম বিশ্বস্ত অংশীদার হবে।’
সিরিয়া কীভাবে সহায়তা করবে, তা বারাক স্পষ্ট করেননি। তবে রয়টার্স পরে এক প্রতিবেদনে জানায়, ওয়াশিংটন দামেস্ককে লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাতে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ঝুঁকির কথা ভেবে সিরিয়ার কর্মকর্তারা তা প্রত্যাখ্যান করেন। যদিও বারাক রয়টার্সের এই প্রতিবেদন অস্বীকার করেছিলেন।