সিলেটের বিশ্বনাথে একটি মাজারের মাসিক নিয়মিত অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন বাউল শিল্পী পেহেলি ভৈরবী। বৃহস্পতিবারও তিনি গান গেয়ে মাজার মাতান; কিন্তু ওই অনুষ্ঠানটি ছিল তার জীবনের শেষ অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান বাউল শিল্পী পেহেলি ভৈরবী।

আর এই স্টেজে শেষ গানও ছিল সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার পাগল হাসানের লেখা `তোরে গলার মাদুলি মানাইমু’। মাত্র ১৭ বছর বয়সে গান পরিবেশন করে বাউল জগতে সাড়া জাগিয়ে স্রোতাদের মন জয় করে ছিলেন এই শিল্পী। অবশেষে সব গানপ্রেমীদের কাঁদিয়ে পাগল হাসানের মতো সড়ক দুর্ঘটনায় তিনিও চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা এলাকার নওধার গ্রামে হযরত ছাবাল শাহের (রহ.) মাজারের অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন তিনি।

অনুষ্ঠান শেষে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে বাড়ি ফেরার জন্য ইউনিক পরিবহণের একটি বাসে করে সিলেট থেকে রওনা হন। ইউনিক বাসটি সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ওসমানীনগরের খাসিকাপন নামক স্থানে পৌঁছলে ঢাকা থেকে সিলেটগামী বেঙ্গল পরিবহণের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। সেই সঙ্গে শিল্পী পেহেলি ভৈরবীর বাবা বাবুল মিয়াও গুরুতর আহত হলে তাকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত বাউল শিল্পী পেহেলি ভৈরবী কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার চন্ডিবের এলাকার বাবুল মিয়ার মেয়ে। তিনি ওই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৯ জনের মধ্যে একজন।

তার অকাল মৃত্যুতে বাউল, লোকসংগীত ও গানপ্রেমীদের অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সহশিল্পী আর গানপ্রেমীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে তার আত্মার শান্তি কামনা করে পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছেন।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews