কোয়ানসার ক্ষেত্রে একই নিয়ম বিবেচনার আপিল করেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু সেটা ব্যবহার করা হয়নি। বরং ডিসিপ্লিনারি কমিটি থেকে সিদ্ধান্ত এসেছে, এক ম্যাচ নয়, তাঁকে বরখাস্ত করা হবে দুই ম্যাচের জন্য। অর্থাৎ একই জায়গা থেকে দুই খেলোয়াড়ের জন্য সিদ্ধান্ত এসেছে দুই রকম।
ফলে প্রশ্নটা এসেই যায়, যতই ফিফা সভাপতি না করুন না কেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনকলেই কি বদলে গিয়েছে সিদ্ধান্ত? নাকি একই দোষে দুজনের দুই রকম শাস্তি হওয়াটা নিছকই কাকতালীয়?