ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি – সুগন্ধি চাল রপ্তানির সময়সীমা আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। দেশের ৬১টি প্রতিষ্ঠান এই সুবিধা পাচ্ছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে চিঠি পাঠিয়ে সময় বাড়ানোর বিষয়টি জানানো হয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এ সংক্রান্ত অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে। এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর সুগন্ধি চাল রপ্তানির পূর্বনির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়েছিল।
প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে এই সময় বাড়ানো হয়েছে। গত বছরের এপ্রিলে প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা অনুযায়ী ১০০ থেকে ৫০০ টন পর্যন্ত রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। শর্ত অনুযায়ী প্রতি কেজি সুগন্ধি চালের রপ্তানি মূল্য ন্যূনতম ১ দশমিক ৬০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। ডলারের বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রতি কেজির মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১৯৫ টাকা। নির্দেশনায় বলা হয়েছে অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি চাল রপ্তানি করা যাবে না এবং প্রতিটি চালান জাহাজিকরণের পর সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে।
এই অনুমোদন কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয় অর্থাৎ অন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বা সাব কন্ট্রাক্টে রপ্তানি করা যাবে না। রপ্তানি নীতি আদেশ অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে সাধারণত চাল রপ্তানি নিষিদ্ধ হলেও সরকারের বিশেষ অনুমতি নিয়ে সুগন্ধি চাল রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরে সুগন্ধি চাল রপ্তানি থেকে আয় হয় ২৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। তবে পরবর্তী অর্থবছরগুলোতে এই আয় কিছুটা কমে আসে। বর্তমানে যুক্তরাজ্য ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের ১৩০টির বেশি দেশে বাংলাদেশের কালিজিরা চিনিগুঁড়া ও কাটারিভোগসহ বিভিন্ন প্রজাতির সুগন্ধি চাল রপ্তানি হচ্ছে।
এস এম/ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬