দেশের বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশও এই ১১টি পতনোন্মুখ ব্যাংকের অন্যতম ছিল। কারণ, এই ব্যাংকসহ দেশের সাতটি ব্যাংকের মালিকানা তুলে দেওয়া হয়েছিল চট্টগ্রামের কুখ্যাত ব্যাংক লুটেরা এস আলমের হাতে।
পরবর্তী সময়ে সরকার গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির গবেষণা থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে এস আলম এই সাত ব্যাংক থেকে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করে দিয়েছে।
শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি তাদের গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত হাজির করে দাবি করেছে যে শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের লুটপাটতন্ত্রের শিকার হয়ে দেশের অর্থনীতি থেকে প্রতিবছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার করে মোট ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়ে গেছে।
পতিত স্বৈরশাসক হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে সবচেয়ে বেশি লুণ্ঠনের শিকার হয়েছিল ব্যাংকিং খাত। দেশে ৬১টি ব্যাংকের প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও হাসিনার খেয়ালখুশি সিদ্ধান্তে তাঁর আত্মীয়স্বজন, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা এবং তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া অলিগার্ক ব্যবসায়ী ও ‘রবার ব্যারন’–এ পরিণত হওয়া লুটেরাদের পুঁজি লুণ্ঠনের অবিশ্বাস্য সুযোগ করে দেওয়ার জন্য এতগুলো ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হয়।