আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) আইসিটি উন্নয়ন সূচকে (আইডিআই) বিশ্বজুড়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে সউদী আরব। সম্প্রতি ডিজিটাল স্থায়িত্ব খাতের পঞ্চম সংস্করণ "এ সাসটেইনেবল প্রেজেন্ট ফর অ্যান এমপাওয়ার্ড ফিউচার" শীর্ষক ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে এই অর্জনের তথ্য প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি যৌথভাবে প্রকাশ করেছে সউদী কমিউনিকেশনস, স্পেস অ্যান্ড টেকনোলজি কমিশন (সিএসটি), আইটিইউ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
প্রতিবেদনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সউদী আরবের বেশ কয়েকটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে। তা হলো- রিয়াদে অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল সিম্পোজিয়াম ফর রেগুলেটরস’ (জিএসআর-২৫) আয়োজন এবং ‘রিয়াদ আউটকামস ফর ইনোভেশন রেগুলেশন’ জারি করা, সার্কুলার ইকোনমি বা চক্রাকার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহায়তার লক্ষ্যে একটি বৈশ্বিক গাইডলাইন চালু করা। পদক্ষেপের মধ্যে আরো রয়েছে ডিজিটাল রেগুলেশন নেটওয়ার্কের পরিচালনা পর্ষদে সউদী আরবের অন্তর্ভুক্ত হওয়া, যা টেকসই উন্নয়নে বৈশ্বিক ডিজিটাল মান নির্ধারণে দেশটির ভূমিকা বাড়াবে।
এছাড়াও, মহাকাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ এবং স্পেস সাসটেইনেবিলিটি বজায় রাখতে একটি 'আর্থ অবজারভেশন প্ল্যাটফর্ম' এবং 'শামস' নামক কৃত্রিম উপগ্রহের শুভসূচনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে পরিবেশগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি খাতের ২৫টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের অবদান এবং ১৪টি জাতীয় সাফল্যগাথা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ও মহাকাশ বিজ্ঞানের মতো কৃত্রিম প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হচ্ছে।
ভবিষ্যতে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে একটি শক্তিশালী ও টেকসই ডিজিটাল এবং স্পেস ইকোসিস্টেম গড়ে তোলাই দেশটির মূল লক্ষ্য।