অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে বহুপ্রতীক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ১৯৭৩ সালের পর এটি ১৩তম নির্বাচন। কোন দল ক্ষমতায় আসবে, কারা জিতবে বা হারবে। এ নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনে চলছে হিসাবনিকাশ। অন্যান্য বারের মতো সাবেক ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকরা নির্বাচনে লড়ছেন। কারা ক্ষমতায় এলে ক্রীড়াঙ্গনের লাভ এ নিয়েও পুরোদমে আলোচনা চলছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী তাদের ইশতেহারে তুলে ধরেছেন ক্ষমতায় এলে ক্রীড়া উন্নয়নে তাদের করণীয় কী হবে।
জাতীয় নির্বাচন বলেই ক্রীড়াঙ্গনে ঢিলেঢালা অবস্থা। নির্বাচন শেষ হলেই সরব হয়ে উঠবে। কোনো সন্দেহ নেই ক্রীড়া সংগঠকরা চাইবেন তাদের সমর্থিত দল নির্বাচনে জিতে আসুক। তাহলে পরিকল্পনা করে ফেডারেশনগুলোকে সাজানো যাবে। তবে যে দলই ক্ষমতায় আসুক প্রধান দাবি হবে ক্রীড়াঙ্গনে নির্বাচন দেওয়া। অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছর ধরে সরকার পরিচালনা করছে। আওয়ামী সরকার পতনের পর ফেডারেশনগুলোর নির্বাচিত কমিটি ভেঙে দিয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠন করে। কিন্তু এতে সচল হয়নি ক্রীড়াঙ্গন। বরং আগের চেয়ে আরও বেশি নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। সচলে দরকার নির্বাচিত কমিটি। নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরই এ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে এ প্রত্যাশা ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকদের।