যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভালো সম্পর্ক দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন এ কথা বলেন।

২০২৪ সালের আগস্টে জেন–জি নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে ভারতঘনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। তিনি পরে নয়াদিল্লিতে আশ্রয় নেন। এরপর থেকেই বাংলাদেশে ভারতের প্রভাব কমতে থাকে। আর সেই সুযোগে চীন প্রভাব আরও বাড়াতে শুরু করে। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর নয়াদিল্লি ও ঢাকার সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ভিসা সেবা ও দুই দেশের মধ্যে ক্রিকেট সম্পর্কেও।

ক্রিস্টেনসেন আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন চায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভালো সম্পর্ক থাকুক। তিনি বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য দুই দেশের সুসম্পর্ক জরুরি।’

বাণিজ্যিক কূটনীতি নিয়ে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘অনেক মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। তবে তারা চায়, পরবর্তী সরকার শুরুতেই স্পষ্টভাবে জানাক যে দেশটি ব্যবসাবান্ধব।’

তিনি বলেন, ‘বাণিজ্যিক কূটনীতি আমাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা এগিয়ে নিতে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আমরা আগ্রহী। বিশেষ করে বাণিজ্য, অর্থনীতি ও নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে আমরা কাজ করতে চাই।’

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারই নির্বাচিত করুক, যুক্তরাষ্ট্র সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে। নির্বাচনে প্রধান লড়াই হচ্ছে দুই জোটের মধ্যে। একটি নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। অন্যটি ইসলামী দল জামায়াতে ইসলামী। জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, বিএনপি এগিয়ে আছে।’



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews