ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একাধিক শহরে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বুধবার মাঝরাতের এই হামলায় ইরানশাহর বিমানবন্দরের ক্ষতি হয়েছে এবং দায়িত্বরত এক দমকলকর্মী নিহত হয়েছেন। এছাড়া চাবাহার শহরের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, বন্দর ও একটি হাসপাতাল লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

আল জাজিরা ও ইরানের ইংরেজি চ্যানেল প্রেসটিভি জানিয়েছে, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সিস্তান-বালুচেস্তান প্রদেশের ইরানশাহর বিমানবন্দরে প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে বিমানবন্দরের ফ্লাইট ফ্যাসিলিটি ভবন ও আবহাওয়া স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলেই খালেদ কাদেরী নামে এক দমকলকর্মী মারা যান।

অন্যদিকে, মার্কিন যুদ্ধবিমান চাবাহার বন্দর নগরী ও কাছাকাছি কোনারাক শহরে অন্তত ১০টি বোমাবর্ষণ করে। হামলায় চাবাহারের ইমাম আলী হাসপাতালের ক্ষতি হয়েছে এবং তিনটি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন কেটে যাওয়ায় অর্ধেক শহর অন্ধকারে ডুবে যায়। তবে দ্রুতই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আংশিক সচল করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র বলছে, চাবাহারে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌঘাঁটিতেও বোমা ফেলা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ কমানোর লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে সেন্টকম। তবে এই হামলাকে ‘বিনা উসকানিতে আগ্রাসন’ এবং গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে ইরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা মহসেন রেজায়ি এক বার্তায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই আগ্রাসনের জন্য শত্রু ও তাদের দোসরদের কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

এর আগে গত বুধবারই আইআরজিসি জানিয়েছিল, পূর্ববর্তী মার্কিন হামলার জবাবে তারা বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত ৮৫টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে পাল্টা আঘাত হেনেছে। সবশেষ এই মার্কিন হামলার পর পুরো অঞ্চলে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews