আর্থিক খাতে এই হামলার প্রভাব আরও সুদূরপ্রসারী হতে পারে। এতে ধীরে ধীরে হলেও ঐতিহাসিক এক পরিবর্তন আরও জোরালো হচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতি মার্কিন ডলারের একচ্ছত্র আধিপত্য থেকে সরে গিয়ে এমন এক জটিল ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যেটা হয়তো ওয়াশিংটনের মনঃপূত হবে না।
গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী ছিল। ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ারবাজারও ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তা সত্ত্বেও বিভিন্ন বৈশ্বিক মুদ্রার বিপরীতে পরিমাপ করা ‘ট্রেড-ওয়েটেড ডলার’ গত এক বছরে ৭ শতাংশ মূল্য হারিয়েছে। এর একটি কারণ হলো মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার। আরেকটি কারণ হলো, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত কাঠামো সম্পর্কে এমন একটি ধারণা তৈরি হয়েছে যে সেটা আর আগের মতো স্থিতিশীল নেই।
লন্ডনে গত সপ্তাহে সেন্টার ফর ইনক্লুসিভ ট্রেড পলিসি আয়োজিত এক সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যেভাবে ডলার হঠাৎ করেই পাউন্ড স্টার্লিংকে প্রতিস্থাপন করেছিল, তেমন করে কোনো একক মুদ্রা ডলারের জায়গা নেবে না। বরং একটি বহুকেন্দ্রিক ও আরও জটিল বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থা গড়ে উঠবে।