টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি; ক্রিকেটের এই তিন ফরম্যাটের মধ্যে ওয়ানডেতে কিছুটা সফল বাংলাদেশ। ২০১৪ সালে মোস্তাফিজুর রহমান জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বে ওয়ানডেতে ধারাবাহিক সাফল্য পায় টাইগাররা।
কিন্তু সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কারণে ক্রিকেট খেলুড়ে অধিকাংশ দেশ- টেস্ট এবং ওয়ানডের তুলনায় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ বেশি খেলেছে। উদ্দেশ্য ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য দলকে প্রস্তুত করা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে এখন ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি মিশন শুরু হচ্ছে। আগামী বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তার আগে বেশি বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলে এই ফরম্যাটে নিজেদের যথাযথ প্রস্তুতি জোরদার করাই লক্ষ্য ক্রিকেট খেলুড়ে দলগুলোর।
ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে র্যাংকিংয়ের অষ্টম পজিশনে থাকতে হবে। বর্তমানে ১০ম পজিশনে থাকা বাংলাদেশ অষ্টম পজিশনে ফেরা এবং বিশ্বকাপের জন্য দলকে প্রস্তুত করার সুযোগ হিসেবে পাচ্ছে পাকিস্তান দলকে।
আগামীকাল থেকে পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। তার আগের দিন আজ মিরপুরে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।
তিনি বলেন, সামনে বিশ্বকাপ তার আগে ব্যালান্স টিম তৈরি করতে হবে। বেশি কিছু পরিবর্তন করতে চাচ্ছি না। একটা দল যখন তৈরি করবেন, তখন একটা পজিশনে একটা ক্রিকেটারকে বেশি সুযোগ দিলে তখন অভিজ্ঞতা হয় ও ভালো একটা দলীয় বন্ধন গড়ে ওঠে। আমি ওভাবে চেষ্টা করব একটা দলকে বন্ডিং করার জন্য এবং বেশি কিছু বদল না করার জন্য।
শুধু নিজের পজিশন নয়, পুরো দলের ব্যাটিং অর্ডারেই দলের সাফল্যের রেসিপি খোঁজা হবে বলে জানালেন অধিনায়ক।
তিনি বলেন, দলের যেটা সেরা কম্বিনেশন হয়, সেটাই আমরা চেষ্টা করছি এবং করব। দিন শেষে ফলাফল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু আমাদের সামনে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, র্যাংকিংটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং যে পজিশনে যারা বিগত দিনে সফল হয়েছে, আমরা চেষ্টা করব তাকে সেই পজিশনে খেলাতে। সে যেন ওখানে পারফর্ম করতে পারে এবং ভালো করতে পারে।