১৮ বছর বয়সী আইয়ুব বুয়াদ্দির জন্য লিলের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত; অতিরিক্ত শর্ত পূরণ হলে ফি উঠতে পারে আরও ৫.৮ মিলিয়ন ডলার।
রদ্রি বার্সেলোনায় চলে যাওয়ার পর তাঁর শূন্যতা পূরণে আর দেরি করতে চাইছে না ম্যানচেস্টার সিটি। একাধিক প্রতিবেদনের দাবি, লিলের ১৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার আইয়ুব বুয়াদ্দিকে দলে ভেড়াতে দুই ক্লাবের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ন্যূনতম ৮১.৩ মিলিয়ন পাউন্ড বা প্রায় ১১১ মিলিয়ন ডলার খরচ হবে সিটির, সঙ্গে অ্যাড-অন হিসেবে আরও ৫.৮ মিলিয়ন ডলার যোগ হতে পারে।
রদ্রি বার্সেলোনায় যাওয়ার পর নতুন মিডফিল্ডার আনার প্রয়োজনীয়তার কথা প্রকাশ্যেই জানিয়েছিলেন সিটির কোচ এনজো মারেস্কা। ‘আমরা নতুন রদ্রিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করব’—বলেছিলেন তিনি। তাঁর যুক্তি ছিল, রদ্রিও সিটিতে আসার আগে ব্যালন ডি’অর বা চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী ছিলেন না। সঠিক খেলোয়াড়কে এনে তাকে গড়ে তোলাই সিটির দীর্ঘদিনের সাফল্যের অন্যতম রহস্য।
বুয়াদ্দিকে সেই ধারাবাহিকতার পরবর্তী নাম হিসেবেই দেখছেন মারেস্কা। ডেভিড সিলভার পর কেভিন ডি ব্রুইনে, সার্জিও আগুয়েরোর পর আর্লিং হালান্ড এবং ফার্নান্দিনহোর পর রদ্রিকে এনে সিটি যে ‘অসম্ভব’ শূন্যতাও পূরণ করতে পারে, সেটিই উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন ইতালিয়ান কোচ। এবার সেই পরীক্ষার মুখে ১৮ বছরের বুয়াদ্দি।
বিশ্বকাপে মরক্কোর হয়ে নজর কাড়া বুয়াদ্দিকে নিয়ে সিটির আগ্রহ অবশ্য আরও আগে থেকেই ছিল। তাঁর পারফরম্যান্সের পর লিলে তাঁর দাম বাড়িয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত সেই দাবিতেই রাজি হয়েছে সিটি। চুক্তিটি সম্পন্ন হলে এটি হবে ক্লাবটির ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ দামের খেলোয়াড়, আর লিলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিক্রি। এর আগে এই গ্রীষ্মে এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ১৫৩ মিলিয়ন ডলারে এনে নিজেদের রেকর্ড ভেঙেছিল সিটি। রদ্রি ও তিজানি রেইনডার্সকে বিক্রি করে পাওয়া অর্থের কারণে বুয়াদ্দির মতো বড় অঙ্কের বিনিয়োগের সামর্থ্যও তৈরি হয়েছে তাদের।