তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী রাইসুল ইসলাম নিজের জ্বালানি তেলচালিত গাড়িটি বিক্রি করে দিয়ে একটি বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনেন গত বছরের আগস্টে। তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা কেমন? তিনি বললেন, ‘খুব ভালো।’
কেন ভালো, তা–ও ব্যাখ্যা করলেন রাইসুল। তিনি বললেন, আগে তিনটি তেলচালিত গাড়ি তিনি ব্যবহার করেছেন—অ্যাক্সিও, অ্যালিয়ন ও প্রিমিও। ঢাকায় তিনি ও তাঁর স্ত্রী একটি গাড়ি ব্যবহার করেন। চিকিৎসক স্ত্রী সপ্তাহে দুবার মানিকগঞ্জ যান। রাইসুল নিজেও মাঝেমধ্যে ঢাকার বাইরে যান।
রাইসুল বলেন, সব মিলিয়ে সর্বশেষ গাড়িটি চালাতে মাসে তাঁর জ্বালানি তেল কেনার পেছনে খরচ হতো ৪০ হাজার টাকা। এখন বৈদ্যুতিক গাড়িটি (প্রয়োজনে তেলেও চালানো যায়) চালাতে মাসে হাজার চারেক টাকা বাড়তি বিদ্যুৎ বিল আসে। আর তেল লাগে ২ হাজার টাকার মতো।
বৈদ্যুতিক গাড়িটি রাইসুল কিনেছেন রানার অটোমোবাইলস থেকে। চীনের বিওয়াইডি ব্র্যান্ডের গাড়িটির দাম প্রায় ৭০ লাখ টাকা। রানার অটোমোবাইলস তাঁর বাসার গ্যারেজে চার্জার বসিয়ে দিয়েছে। সঙ্গে দিয়েছে একটি বহনযোগ্য বা পোর্টেবল চার্জার। একবার পুরো চার্জ দিলে গাড়িটি ১০০ কিলোমিটার যায়।
ঢাকার বাইরে গেলে কীভাবে চার্জ দেন—জানতে চাইলে রাইসুল বলেন, ‘ধরেন চট্টগ্রাম যাচ্ছি। কুমিল্লায় তিনটি চার্জিং স্টেশন আছে। আধা ঘণ্টা লাগে চার্জ দিতে। গাড়ি চার্জে দিয়ে চা-কফি পান করি। তারপর রওনা দিই।’ তিনি বলেন, ‘গ্রামের বাড়িতে গেলে পোর্টেবল চার্জার দিয়ে চার্জ দিই। তাতে অবশ্য একটু বেশি সময় লাগে, ঘণ্টা তিনেক।’