প্রতিবেদনে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির বিভিন্ন ঘাটতি ও ঝুঁকির কথা তুলে ধরা হয়। যেমন কঠিন রাজনৈতিক পালাবদল এবং দীর্ঘ অর্থনৈতিক সংকট দেশের আর্থসামাজিক অর্জনকে ম্লান করছে, যা দেশের এলডিসি উত্তরণকে ঝুঁকিতে ফেলেছে। এলডিসি উত্তরণের পর যে বাণিজ্য ক্ষতি হবে, তা নিয়ে প্রস্তুতির ঘাটতি আছে। এ ছাড়া বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও দুর্বল পারফরম্যান্সের প্রেক্ষাপটে এলডিসি উত্তরণ-পূর্ববর্তী ঝুঁকি নিয়েই বেশি আলোচনা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বর্তমান সামষ্টিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও দুর্বল পারফরম্যান্সের প্রেক্ষাপটে এলডিসি উত্তরণ-পূর্ববর্তী ঝুঁকি নিয়েই বেশি আলোচনা হচ্ছে। বাস্তব অর্থে, এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় আর্থিক প্রস্তুতি দুর্বল। এ ছাড়া এলডিসি নিয়ে মসৃণ উত্তরণ কৌশলের (এসটিএস) বাস্তবায়নও কম।
জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা প্রস্তুতির অভাবে তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।