তানজীমউদ্দিন খান: দ্রোহযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় ২ আগস্ট। ইতিমধ্যে সাংস্কৃতিক কর্মীদের অনেকেই অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। আগের দিন ১ আগস্ট তাঁর বাসায় আমাদের একটা অনানুষ্ঠানিক মিটিং হয়। আমরা বুঝতে চাইছিলাম, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা আসলে কী করতে পারি?
একটা আলোচনা হচ্ছিল সাংস্কৃতিক কর্মীদের নিয়ে একটা সমাবেশ করা যেতে পারে, সেটাকে অনেক আলোচনার পর ‘দ্রোহের যাত্রা’ নাম দেওয়া হলো। মূলত রাজনীতি ও সমাজ বিশ্লেষণমূলক সংকলন ‘সর্বজনকথা’র সঙ্গে যাঁরা আমরা সম্পৃক্ত, তাঁরাসহ সংস্কৃতিকর্মীরাও ছিলেন। সামিনা লুৎফা, মাহা মির্জা ছিল, মোশাহিদা সুলতানা, কল্লোল মোস্তফা, মাহতাব উদ্দীন আহমেদসহ এ রকম বেশ কয়েকজন ছিলেন।
শেষ পর্যন্ত আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে আন্দোলন থেকে পিছিয়ে আসার আমাদের কারও আর কোনো পথ নেই। হয় পরিবর্তন, আর তা না হলে আমরা আরও বেশি বিপদগ্রস্ত হব, জীবন–ঝুঁকিতে পড়ে যাব। এটাই ছিল আমাদের ‘বটম লাইন’।