একসময় ক্যামেরার সামনে শিল্প নির্দেশনায় নিখুঁত দৃশ্য সাজানো মানুষটি আজ নিজের শরীরের জয়েন্টে জয়েন্টে ব্যথা নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। হাতের পেশি ঢিলে হয়ে গেছে। থেরাপির শুরুর দিকে ব্যথা এতটাই তীব্র ছিল যে থেরাপি নিতে যেতে চাইতেন না। অভিযোগ করতেন, ‘ব্যথা দেয় সবাই।’ ব্যথা সহ্য করতে না পেরে চিৎকার করতেন। এখন সহনশীলতা বেড়েছে, কিন্তু ব্যথা যায়নি।
প্রতিদিনের থেরাপি ও অন্যান্য চিকিৎসা মিলিয়ে খরচ ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। চার মাসে ব্যয় হয়েছে অনেক টাকা। প্রাণ রায় বলেন, ‘আমাদের জমানো টাকা শেষ। “ফ্রম বাংলাদেশ” সিনেমা বানানোর জন্য যে টাকা জমা ছিল, সেটাও চিকিৎসায় ব্যয় হচ্ছে। শখের গাড়ি ছিল, সেটাও বিক্রি করে দিয়েছি। হাসপাতালের খরচ আছে, বাসার খরচ আছে—সব মিলিয়ে জীবনের খুব কঠিন সময় পার করছি।’