আয়নায় তাকালেই মনে হয়—নাকটা ঠিক নেই, ত্বকের অবস্থা খারাপ, শরীরটা ভারী বা অস্বাভাবিক। মনে হয়, সবাই নিশ্চয়ই আমার শরীরের এই ত্রুটি দেখছে। কিন্তু আশপাশের মানুষ হয়তো সেসব কিছুই ভাবছে না বা খেয়াল করছে না।
এ ধরনের ‘ইনসিকিউরিটি’ যখন নির্দিষ্ট মাত্রা ছাড়িয়ে ভয় ও ঘৃণায় পরিণত হয়, তখন সেটাকে বলে বডি ডিজমরফিয়া বা বডি ডিজমরফিক ডিজঅর্ডার (বিডিডি)।
এই রোগে মানুষ নিজের চেহারা বা শরীর নিয়ে এমন হীনম্মন্যতায় ভোগে, যা তার স্বাভাবিক জীবনকে বাধাগ্রস্ত করে। এখানে ব্যক্তি নিজের চেহারার একটি ছোট বা প্রায় অদৃশ্য বিষয়কে খুব বড় সমস্যা মনে করে।
সম্প্রতি অনেক সেলিব্রিটিই তাঁদের বিডিডির অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন গণমাধ্যমের সামনে, যা এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে সাহায্য করছে।
নিজের চেহারা ও শরীর নিয়ে নেতিবাচক চিন্তা এত তীব্র হতে পারে যে—
আত্মবিশ্বাস কমে যায়
সামাজিক জীবন ব্যাহত হয়
কাজ বা পড়াশোনায় প্রভাব পড়ে
মানুষ আয়না, ছবি বা অন্যের মন্তব্য নিয়ে অতিরিক্ত ব্যস্ত হয়ে পড়ে
নিজের চেহারা বা শরীর আয়নায় দেখতে চায় না, আবার অনেকে আয়নার সামনে নিজেকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে থাকে, নিজের চেহারা বা শরীরের ত্রুটিবিচ্যুতি নিয়ে ভাবতে থাকে
চেহারা বা শরীর দেখে অন্যে কী মনে করবে, এই চিন্তায় সামাজিক জীবন যাপন থেকে নিজেকে দূরে রাখে