পারমাণবিক কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিনিময়ে তেহরানের অন্যান্য বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটনের  মধ্যে ভিন্ন মতামত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছে, দুই দফা আলোচনার পরও পারমাণবিক কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিনিময়ে তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সুযোগ এবং প্রক্রিয়া নিয়ে ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মতামত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মার্চের শুরুতে নতুন আলোচনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আলোচনায় তেহরান উচ্চ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদের কিছু অংশ রপ্তানি করার কথা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে পারে। এতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার জন্য একটি আঞ্চলিক কনসোর্টিয়ামের বিশুদ্ধতা কমে আসবে। তবে এর বিনিময়ে ইরানকে ‘শান্ত পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ’ করার অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে।

ওই কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেন, আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

গতকাল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তিনি আশা করছেন চলতি সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনার কয়েক দিনের মধ্যে একটি খসড়া পাল্টা প্রস্তাব প্রস্তুত করা হবে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি সীমিত সামরিক হামলার কথা বিবেচনা করছেন।

ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আরও বলেন, তেহরানতেল ও খনিজ সম্পদের নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করবে না, তবে মার্কিন কোম্পানিগুলো সর্বদা ইরানের তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রে ঠিকাদার হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স।

বিডি প্রতিদিন/কামাল



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews