ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের সামনে পাত্তাই পায়নি অস্ট্রেলিয়া। পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে উত্তরসূরিদের এমন হার মানতেই পারছেন না দেশটির গ্রেট ক্রিকেটাররা। রিকি পন্টিংয়ের কাছে এই পরাজয় ‘চরম হতাশাজনক’, আর অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের ‘সবচেয়ে বড় অঘটন’ বলে উল্লেখ করেছেন মার্ক ওয়াহ।
টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বর দল বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রতিটি বিভাগেই পর্যুদস্ত হয়েছে এক নম্বর দল অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে বাংলাদেশ করে ৪২৬। ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রান করে কেবল ৫৭ রানের লক্ষ্য দিতে পারে প্যাট কামিন্সের দল। বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জিতে যায় সাড়ে তিন দিনে। ফক্স ক্রিকেটে মার্ক ওয়াহ বলেন, দেশের ইতিহাসে এর চেয়ে তিক্ত পরাজয়ের কথা তিনি মনে করতে পারছেন না, ‘অস্ট্রেলিয়ায় আমার স্মরণকালের সবচেয়ে বড় অঘটন সম্ভবত এটিই। তিন-চার বছর আগে গ্যাবায় অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ- সেটাও ছিল একটা অঘটন। কিন্তু তাদের (বাংলাদেশ) সেরা দুই বোলার নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলামের খেলতে না পারা, র্যাঙ্কিংয়ের পার্থক্য এবং অস্ট্রেলিয়ান দল পূর্ণ শক্তিতে ফেরার কারণে এটি বড় অঘটন।’
চতুর্থ দিন লাঞ্চ বিরতির সময়ই চ্যানেল ৭-এ আলাপে পন্টিং বলেন, এই হার হবে ‘খুবই হতাশাজনক।’ ওপেনিং ও তিন নম্বর পজিশনে পরিবর্তন আনার কথাও বলেন সাবেক এই অধিনায়ক, ‘দেখুন, সাধারণত আমি দলে পরিবর্তন চাই না। অধিনায়ক হিসেবে হোক বা খেলোয়াড়, আমি দলটাকে সবসময় একত্রিত রাখতে চেয়েছি। পরিস্থিতি খুব খারাপ পর্যায়ে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমি কাউকে বাদ দেওয়ার কথা বলব না। কিন্তু এই পর্যায়ে আসার পর, আমি যথেষ্ট প্রমাণ পেয়েছি যে, দল পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করলে তাদের তেমন কোনো ক্ষতি হবে না, হয়তো আরেকজন ওপেনারকে দলে আনা যেতে পারে, বা তিন নম্বরে কাউকে আনা যেতে পারে। যদি ওরা এখানে হেরে যায়, তাহলে সেটাই করতে হবে।’
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং কম্বিনেশন নিয়ে প্রশ্ন তুলে ট্রাভিস হেডকে পাঁচ নম্বরে ফেরানোর কথা বলেন সাবেক ওপেনার ম্যাথু হেইডেন, ‘ওপেনিং হেডের সেরা পজিশন নয়। আমার মনে হয়, তার সেরা পজিশন এখনও পাঁচ নম্বর। অ্যালেক্স কেয়ারিকে পাঁচ নম্বরে খেলানোটা আমার পছন্দ নয়।’