অভিষেকে দারুণ আত্মবিশ্বাসী ব্যাট করছিলেন তানজিদ তামিম। পাকিস্তানী বোলারদের শাসন করছিলেন তিনি। তবে যেভাবে ফিরলেন, সেটাকে ‘আত্মহত্যা’ বললেই বরং ভালো হবে।
আব্বাসকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে বল তুলে দিলেন আকাশে। সহজ ক্যাচ নিলেন বোলার নিজেই। ৩৪ বলে ২৬ রানে ফেরেন তিনি। ৪৪ রানে দ্বিতীয় উইকেটটি হারায় বাংলাদেশ।
প্রথম উইকেট হারায় অবশ্য প্রথম ওভারেই। দ্বিতীয় বলেই আব্বাসের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে মাহমুদুল হাসান জয় ফেরেন রানের খাতা না খুলেই। বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ।
তবে মমিনুলকে নিয়ে সেই ধাক্কা অনেকটা সামলে নিয়েছিলেন তামিম। যদিও তামিমের বিদায়ের পর পরই ফিরেছেন মুমিনুলও। দলকে ১৬ ওভারে ৬৩ রানে রেখে আউট হন ৪১ বলে ২২ করে।
তাতে সিলেট টেস্টের শুরুটা আশাবাঞ্চক হলো না টাইগারদের। যদিও নাজমুল হোসেন শান্ত চেষ্টা করছেন সব সামলে নিতে। সাথে আছেন মুশফিকুর রহিম।
দু’জনে মিলে গড়েছেন ৪২ রানের জুটি। বাংলাদেশ ৩০ ওভারে তুলেছে ১০৫ রান। শান্ত ৬৭ বলে ২৯ ও মুশফিক ব্যাট করছেন ৪০ বলে ১৯ রানে।