মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবার ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় দেশ কুয়েত-এ। দেশটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে কুয়েতের সামরিক বাহিনী।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় দেশজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক সংঘাত বিস্তারের শঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে। কুয়েতের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থাও দেশজুড়ে সতর্ক সংকেত বাজানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মোকাবিলা করছে’। তারা আরও জানায়, যেসব বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে, সেগুলো মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে হামলা প্রতিহত করার ফল।
বিবৃতিতে জনগণকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জারি করা নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনও তথ্য জানানো হয়নি।
এর আগে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার মধ্যেই আবারও ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালির কৌশলগত বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে সামরিক স্থাপনায় হামলার পাশাপাশি চারটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। তিন দিনের মধ্যে এটি ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় হামলা।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির আশপাশে হুমকি তৈরি করছিল— এমন চারটি ইরানি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ও তারা ভূপাতিত করেছে। সেন্টকমের দাবি, বন্দর আব্বাসের যে সামরিক স্থাপনাটিতে হামলা চালানো হয়েছে, সেখান থেকে পঞ্চম একটি ড্রোন উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি চলছিল। ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, শহরটির পূর্বাঞ্চলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।