তিউনিসিয়ার জালে চার গোল দিয়েছে জাপান। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে দলের চতুর্থ ও নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন আয়াসে উএদা। দুই গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় জাপান।
বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৬৯ মিনিটে পায় তৃতীয় গোল। গোল করেছেন জুনিয়া ইতো। তিউনিসিয়ার রক্ষণ দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে একের পর এক গোল করে গোল জাপান।
মেক্সিকোর এস্তাদিও মনতেরেতে ম্যাচের মাত্র ৪ মিনিটেই এগিয়ে যায় জাপান। কেইতো নাকামুরার তৈরি করা সুযোগ থেকে দাইচি কামাদা গোল করে দলকে লিড এনে দেন। বিশ্বকাপে জাপানের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে দ্রুত গোলগুলোর একটি।
গোল খাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও তিউনিসিয়া ঠিকমতো ম্যাচে ফিরতে পারেনি। জাপানের সংগঠিত রক্ষণ আর মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণের সামনে বারবার আটকে যাচ্ছে তাদের আক্রমণ।
৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে জাপান। কৌ ইতাকুরার পাস থেকে বল পেয়ে আয়াসে উএদা বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান। তিউনিসিয়ার গোলরক্ষকের কিছুই করার ছিল না।
ম্যাচের ৪ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দিয়েছেন দাইচি কামাদা।
এদিকে এই ম্যাচটি যারাই দেখছেন, সবাই ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন! বিশ্বকাপের হাজারতম ম্যাচ বলে কথা!
১৯৩০ সালে মেক্সিকো-ফ্রান্স এবং যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়াম ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের যাত্রা। প্রথম বিশ্বকাপ হয়েছিল ১৩ দল নিয়ে, এবার বিশ্বকাপে খেলছে ৪৮টি দল।
বিডি প্রতিদিন/নাজিম