বাংলাদেশের মানুষ বিদেশে ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডের মাধ্যমে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থেকে পণ্য কিনতে সবচেয়ে বেশি কার্ড ব্যবহার করেন। আর খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র থেকে পণ্য কিনতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যয় হয়। এ ছাড়া যাতায়াত, ওষুধ, ব্যবসায়িক সেবা, তৈরি পোশাক, পেশাগত সেবা, সরকারি সেবা, নগদ উত্তোলন ও গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির বিল পরিশোধে কার্ড ব্যবহার করা হয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশের ব্যাংকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিদেশে ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডের মাধ্যমে ৮৭৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। তার মধ্যে ২৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ (২১৫ কোটি টাকা) ব্যয় হয় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। আর সাড়ে ১৩ শতাংশ (১১৮ কোটি টাকা) ব্যয় হয়েছে খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র থেকে পণ্য কিনতে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত জানুয়ারি মাসে বিদেশে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ৪৬৩ কোটি টাকা লেনদেন করেছেন বাংলাদেশিরা। এই অর্থের ৩০ শতাংশ বা ৭৯ কোটি টাকা খরচ হয়েছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে। খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়েছে। এ ছাড়া যাতায়াতে ১১ শতাংশ, ব্যবসায়িক সেবায় ৭ দশমিক ৭১ এবং তৈরি পোশাকের দোকানে ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়। তার বাইরে পেশাগত সেবায় ৫ শতাংশ, সরকারি সেবায় ৪, নগদ উত্তোলন ৩ এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির বিল পরিশোধে ৩ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয়।