এজাহারে বলা হয়েছে, রাহিদকে প্রথমে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শহীদ মিনারের সামনে, এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস এম হলের সামনে পেটানো হয়। সবশেষ শাহবাগ থানার সামনেও তাঁকে আরেক দফা পেটানো হয়। এতে রাহিদ গুরুতর আহত হন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রাহিদের মাথা লক্ষ্য করে লোহার রড, স্টিলের পাইপ দিয়ে আঘাত করে। রাহিদের ডান হাতের আঙুল ভেঙে যায়। বাঁ কানে গুরুতর আঘাত পান তিনি। তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম হয়।

এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা রাহিদের কাছে থাকা একটি স্মার্টফোন, নগদ ৫ হাজার টাকা, মোটরসাইকেল ও এটিএম কার্ড নিয়ে যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

এ ঘটনার পর রাহিদকে শাহবাগ থানা–পুলিশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল দলের সহায়তায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানান পুলিশ পরিদর্শক খোকন মিয়া।

এর আগে গতকাল আহত অবস্থায় রাহিদ অভিযোগ করেছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হাসিব আল ইসলাম, মো. সাইফুল্লাহ, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভসহ আরও কয়েকজন তাঁকে মারধর করেছেন।

তবে রাহিদ ছাত্রলীগের কোনো কমিটিতে ছিলেন কি না, সেটা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি তাঁকে মারধর করার অভিযোগ ওঠা শিক্ষার্থীরা। তাঁরা রাহিদের বিরুদ্ধে থানায় কোনো অভিযোগ জানিয়েছেন কি না জানতে চাইলে খোকন মিয়া বলেন, ‘এটা দেওয়ার কথা।’



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews