বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ডিএলও) মোহাম্মদ ছাহেব আলী বলেন, সিডিআইএল থেকে পাওয়া ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী কুকুরটি জলাতঙ্ক রোগে ভুগছিল। ওই কুকুর যাদের কামড়িয়েছে, তারাও জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে কুকুর দ্বারা আক্রান্ত যাঁদের সঙ্গে কথা হয়েছে, তাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন।
জলাতঙ্ক আক্রান্ত কুকুরকে কামড়ানোর কারণে কুমিরের কোনো ঝুঁকি আছে কি না, জানতে চাইলে মোহাম্মদ ছাহেব আলী বলেন, কুমিরের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই। কারণ, কুমির হিংস্র প্রাণী। তাই তার জলাতঙ্ক আক্রান্ত হওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই। তবে যেসব মানুষকে কামড়িয়েছে, তারা টিকা না নিলে ঝুঁকি আছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান আতিয়া খাতুন বলেন, ‘কুকুরটি একাধিক মানুষকে কামড় দিয়েছে। মাজারের নিরাপত্তা প্রহরী ফোরকান টিকা নিয়েছেন, হাসপাতাল থেকে আমরা সে প্রমাণও সংগ্রহ করেছি।’ তিনি আরও বলেন, কুকুরটিকে টোপ হিসেবে কুমিরের সামনে দেওয়া হয়েছিল বলে যে অভিযোগ উঠেছিল, তারও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।