রয়টার্স-ইপসস জরিপে আরও দেখা গেছে, যাঁরা মনে করেন, ট্রাম্প ‘মানসিকভাবে তীক্ষ্ণ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম’, তাঁদের সংখ্যা কমে গেছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এই হার ছিল ৫৪ শতাংশ, যা বর্তমানে ৪৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

তবে ট্রাম্প প্রায়ই কগনিটিভ টেস্টে (মানসিক পরীক্ষা) সফল হওয়ার বড়াই করে থাকেন। গত মঙ্গলবার রাতে তিনি ১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট ভাষণ দিয়েছেন। অবশ্য তিনি এখনো বাইডেনের মতো খারাপ অবস্থায় নেই। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যখন বাইডেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান, তখন মাত্র এক-চতুর্থাংশ মার্কিন নাগরিক তাঁকে মানসিকভাবে তীক্ষ্ণ মনে করতেন।

অন্যান্য জরিপও একই কথা বলছে। গত মাসে সিএনএনের এক জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের ‘কার্যকরভাবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের মতো স্ট্যামিনা ও তীক্ষ্ণতা আছে’—এমনটি বিশ্বাস করা মানুষের হার ৫৩ শতাংশ থেকে কমে ৪৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই ৪৬ শতাংশ হার বাইডেনের ২০২৩ সালের হারের (২৫% থেকে ৩২%) চেয়ে অনেক বেশি।

গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন পোস্ট-এবিসি নিউজ-ইপসসের পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, অর্ধেকের বেশি মানুষ মনে করেন, ট্রাম্পের কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের মতো মানসিক তীক্ষ্ণতা (৫৬ শতাংশ) বা শারীরিক সুস্থতা (৫১ শতাংশ) নেই। ২০২৩ সালের মে মাসের তুলনায় মানসিক তীক্ষ্ণতার বিষয়ে সন্দেহ ১৩ পয়েন্ট বেড়েছে এবং শারীরিক সুস্থতার বিষয়ে সন্দেহ বেড়েছে ২৩ পয়েন্ট।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews