বেইজিং অটো শোতে চোখে পড়ার মতো এক দৃশ্য—স্মার্ট এসইউভিতে আছে যান্ত্রিকভাবে পা মালিশের ব্যবস্থা। সেই সঙ্গে দেখা গেল বিলাসবহুল এক মিনিভ্যান। এই মিনিভ্যানের বৈশিষ্ট্য হলো, এতে আসন সরিয়ে নেওয়া যায়, অর্থাৎ প্রথম সারির আসন পিছিয়ে নেওয়া যায় এবং পেছনের সারির আসন সামনে আনা যায়।
এখানেই শেষ নয়, অনেক গাড়িতেই আছে পেশাদার মানের স্পিকারসহ কারাওকে। কোনো কোনো গাড়ির হেডলাইট দিয়েই দেয়ালে সিনেমা প্রজেক্ট করার সুবিধা পর্যন্ত আছে। ফলে চাইলেই কেউ রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে দেয়ালে সিনেমা দেখতে পারেন। এমনকি তুলনামূলক সাশ্রয়ী গাড়িতেও আছে স্মার্ট ড্রাইভিং ফিচার।
বাইরের অনেক ভোক্তার কাছে এসব যেন স্বপ্নের মতো। বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই অটো শোতে প্রদর্শিত চীনের গাড়িগুলোর বৈচিত্র্য দেখে অনেকের চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। এতেই হয়েছে বাজিমাত। চীনের এই প্রযুক্তিগত পরাক্রমের কারণে বিশ্বের অনেক গাড়ি কোম্পানি ও নীতিনির্ধারক অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে।