শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে সদলবলে দেশে ফিরবেন। এই মর্মে তিনি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বার্তা সংস্থা ‘দি রয়টার্সকে’। এর আগে ভারতের টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একই কথা বলেন। সর্বশেষ এই লেখা যখন লিখছি তখন অর্থাৎ রোববার সন্ধ্যায় শেখ হাসিনার একটি অডিও বক্তৃতা শুনলাম। সেখানেও তিনি বলেছেন যে, অতিদ্রুত তিনি দেশে আসবেন। এই সর্বশেষ অডিও ক্লিপে কিন্তু ডিসেম্বরের উল্লেখ নাই। এই বিষয়টি আমাদের আজকের লেখার প্রধান উপজীব্য। তার আগে এ সম্পর্কে অন্য একটি কথা। শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের মৃত্যুদণ্ডের পর আইসিটি নির্দেশ দিয়েছিলো যে, একজন মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত অপরাধীর কোনো সংবাদ বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক কোনো মিডিয়ায় ছাপানো বা সম্প্রচার করা যাবে না। কিন্তু এক শ্রেণীর প্রিন্ট মিডিয়া আইসিটির নির্দেশের কোনো তোয়াক্কা না করে বেপরোয়াভাবে হাসিনার বক্তৃতা বিবৃতি সমানে প্রচার করে/সম্প্রচার করে যাচ্ছে। একটি কর্পোরেট হাউজের একটি অনলাইন পোর্টাল এনডিটিভিকে প্রদত্ত শেখ হাসিনার বিশাল সাক্ষাৎকার হুবহু প্রচার করেছে। রয়টার্সকে প্রদত্ত সাক্ষাৎকার একটি ইংরেজি এবং একাধিক বাংলা পত্রিকা সম্পূর্ণ প্রকাশ করেছে। এই তো কয়েক দিন আগেও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা এক সাংবাদিক সম্মেলেনে বলেছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না। করলে সেটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। তথ্য উপদেষ্টার এই হুঁশিয়ারির পরেও হাসিনার বক্তব্য অনেকেই প্রকাশ করে যাচ্ছে। শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে সদলবলে দেশে ফিরবেন। এই মর্মে তিনি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বার্তা সংস্থা ‘দি রয়টার্সকে’। এর আগে ভারতের টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একই কথা বলেন। সর্বশেষ এই লেখা যখন লিখছি তখন অর্থাৎ রোববার সন্ধ্যায় শেখ হাসিনার একটি অডিও বক্তৃতা শুনলাম। সেখানেও তিনি বলেছেন যে, অতিদ্রুত তিনি দেশে আসবেন। এই সর্বশেষ অডিও ক্লিপে কিন্তু ডিসেম্বরের উল্লেখ নাই। এই বিষয়টি আমাদের আজকের লেখার প্রধান উপজীব্য। তার আগে এ সম্পর্কে অন্য একটি কথা। শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের মৃত্যুদণ্ডের পর আইসিটি নির্দেশ দিয়েছিলো যে, একজন মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত অপরাধীর কোনো সংবাদ বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক কোনো মিডিয়ায় ছাপানো বা সম্প্রচার করা যাবে না। কিন্তু এক শ্রেণীর প্রিন্ট মিডিয়া আইসিটির নির্দেশের কোনো তোয়াক্কা না করে বেপরোয়াভাবে হাসিনার বক্তৃতা বিবৃতি সমানে প্রচার করে/সম্প্রচার করে যাচ্ছে। একটি কর্পোরেট হাউজের একটি অনলাইন পোর্টাল এনডিটিভিকে প্রদত্ত শেখ হাসিনার বিশাল সাক্ষাৎকার হুবহু প্রচার করেছে। রয়টার্সকে প্রদত্ত সাক্ষাৎকার একটি ইংরেজি এবং একাধিক বাংলা পত্রিকা সম্পূর্ণ প্রকাশ করেছে। এই তো কয়েক দিন আগেও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা এক সাংবাদিক সম্মেলেনে বলেছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না। করলে সেটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে। তথ্য উপদেষ্টার এই হুঁশিয়ারির পরেও হাসিনার বক্তব্য অনেকেই প্রকাশ করে যাচ্ছে।

 
তথ্যমন্ত্রী, তথ্য উপদেষ্টা এবং আইসিটির চিফ প্রসিকিউটরকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, শেখ হাসিনার সরকার গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিলো। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ ও সম্পদের তথ্য গোপন মামলায় তাকে ৯ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। মানি লন্ডারিং মামলায় তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এসব শাস্তির পর বাংলাদেশের সমস্ত গণমাধ্যমকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমানের কোনো অডিও বা ভিডিও এমনকি বিবৃতি প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশ ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সম্প্রচার করা যাবে না। আর এদেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া একান্ত বাধ্যগত মিডিয়া হিসাবে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট জুলাই বিপ্লবের পূর্ব পর্যন্ত তারেক রহমানের কোনো ছবি, বক্তৃতা, ভাষণ বিবৃতি প্রকাশ করেনি বা সম্প্রচার করেনি। এখন এই সরকার হাসিনার বক্তৃতা বিবৃতির ব্যাপারে এত লিবারাল কেনো? 
এখন আমি আসছি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ব্যাপারে। এনডিটিভি এবং রয়টার্সের কথা আগেই বলেছি। এতদিন অর্থাৎ গেলো ১৮ মাস তিনি ড. ইউনূস, তার উপদেষ্টা পরিষদ এবং জুলাই বিপ্লবের কান্ডারি তরুণ ছাত্র নেতৃত্বের পিন্ডি চটকিয়েছেন। হেন গালাগালি নাই যা তিনি করেননি। কিন্তু ১২ জুলাইয়ের বার্তায় দেখলাম, এবার তার টার্গেট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার অতীতের স্বভাবসুলভ বিষোদগারের অভ্যাস তিনি ত্যাগ করতে পারেননি। তারেক রহমানকে বলেছেন খাম্বা তৈরি ও গ্রেনেড হামলাকারী হিসাবে। এর আগে তিনি বলেছিলেন যে, আগামী ডিসেম্বরে তিনি দেশে আসবেন। কিন্তু গত ১২ জুলাইয়ের ইউটিউব বার্তায় তিনি বলেছেন যে, জাতীয় সংসদের যে ৩০০টি এলাকা রয়েছে তার মধ্যে ইতোমধ্যেই তিনি ১১৫টি এলাকার নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা করেছেন। অবশিষ্ট ১৮৫টি এলাকার নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা শেষ করে তিনি ডিসেম্বরে ফিরবেন। 
তিনি এবারের অডিও ক্লিপে বলেছেন যে, ১৯৮১ সালে জীবন বাজি রেখে তিনি দেশে ফিরেছিলেন। এর চেয়ে ডাঁহা মিথ্যা আর কিছু হতে পারে না। ১৯৮১ সালে কি তিনি নিজের ইচ্ছায় এসেছিলেন? তখন তো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রের স্পিরিট সমুন্নত করার জন্য নিজে উদ্যোগ নিয়ে শেখ হাসিনাকে দেশে এনেছিলেন। অবশ্য শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ২১ দিনের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট জিয়া সেনাবাহিনীর বিপথগামী কয়েকজন অফিসার ও সৈন্যের গুলিতে শহীদ হন। হাসিনার দেশে ফেরা এবং প্রেসিডেন্ট জিয়ার শহীদ হওয়ার মধ্যে আমি কোনো সম্পর্ক টানছি না। তবে যেটি ঘটনা তাই বললাম। 


২০০৭ সালের কথা হাসিনা বলেছেন। তখন তিনি ইউরোপে ছিলেন। ইউরোপ ছেড়ে আসা সমস্ত এয়ারলাইন্সকে বলা হয়েছিলো যে, তারা কেউ যেনো শেখ হাসিনাকে বহন না করে। তখন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন পরলোকগত প্রণব মুখার্জি। তিনি ভারত সরকারের তরফ থেকে বিষয়টি ব্রিটেনসহ একাধিক দেশের সাথে আলোচনা করেন এবং শেখ হাসিনা যাতে ফিরতে পারেন সেই ব্যবস্থা করতে বলেন। তখন তো তার প্রাণের কোনো সংশয় ছিলো না। বরং আমেরিকা ও ভারতের মধ্যে এই মর্মে আন্ডার স্ট্যান্ডিং হয়েছিলো যে, শেখ হাসিনা ফিরে এলে একটি সাজানো নির্বাচন দিয়ে তাকে প্রধানমন্ত্রী করা হবে। আলোচ্য ভিডিওতে শেখ হাসিনা এই মর্মে বলেছেন যে, বিএনপি সরকার নাকি মানুষ হত্যা করছে, মেয়েদের গায়ে হাত তুলছে, বাড়ি পুড়িয়ে দিচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি। ১৮ কোটি মানুষ এই দেশে বাস করে। তারা দেখছে যে, শেখ হাসিনা যে সমস্ত অভিযোগ করছেন তার সবগুলিই ডাঁহা মিথ্যা এবং বানোয়াট। তিনি আবিষ্কার করেছেন যে, এমন কোনো দিন নাই যে দিন ১০টা থেকে ১৫টা হত্যা না ঘটছে। ১২ জুলাইয়ের অডিও ক্লিপে ডিসেম্বরের নাম নাই। বলা হয়েছে, যতদ্রুত সম্ভব তিনি দেশে আসবেন। ॥দুই॥শেখ হাসিনা দেশে আসবেন বললেই কি আসা যায়? তিনি পালিয়ে ইন্ডিয়া গেছেন। ইন্ডিয়া তাকে অফিসিয়ালি গ্রহণ করেছে। কারণ, মোদি সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল তাকে হিন্দন সামরিক ঘাঁটিতে রিসিভ করেছেন। এরপর ইউনূস সরকার তাকে ফেরত চেয়েছেন। ভারত কোনো উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। এরপর বাংলাদেশের আইসিটি তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। তারপরেও তাকে ফেরত চাওয়া হয়েছে। তাকে ফেরত চেয়ে অন্তত ১৩টি চিঠি ইউনূস সরকার এবং তারেক রহমানের সরকার ভারত সরকারকে দিয়েছে। কিন্তু তাদের কোনো হেল দোল নাই। 
অথচ, ভারত ও বাংলাদেশের মাঝে প্রত্যার্পণ চুক্তি (Extradition Treaty) রয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী ক্যাপ্টেন মাজেদকে শেখ হাসিনার অনুরোধে ভারত বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে। বাংলাদেশে আসার পর ক্যাপ্টেন মাজেদকে ফাঁসি কাষ্ঠে ঝুলানো হয়েছে। মেজর বজলুল হুদাকে থাইল্যান্ড থেকে দেশে এনে হত্যা করা হয়েছে। মেজর মহিউদ্দিনকে আমেরিকা থেকে দেশে এনে হত্যা করা হয়েছে। এদের কারো ক্ষেত্রে নতুন করে আপিল বা মামলার সুযোগ ছিলো না। তাহলে শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে কী হবে? 
শেখ হাসিনা লাল পাসপোর্টে ভারত পালিয়েছেন। তারপর শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের কয়েকশত নেতাকর্মীর পাসপোর্ট ইন্টারিম সরকার বাতিল করেছে। এখন শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে আসতে হলে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ভারত সরকারের আলাপ করতে হবে। সেই আলোচনায় আসবে প্রত্যার্পণ চুক্তির আওতায় ফেরত আনার প্রশ্নটি। যেহেতু হাসিনা এবং অন্যদের কোনো পাসপোর্ট নাই তাই বিনা পাসপোর্টে তারা কোনো প্লেনে উঠতে পারবেন না। বাংলাদেশে আসতে হলেও তাকে বা তাদেরকে ট্রাভেল পাস নিতে হবে। সেজন্য তাদেরকে ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে বা বিভিন্ন উপ-হাইকমিশনে দরখাস্ত করতে হবে। হাইকমিশন তাকে ট্রাভেল পাস দেবে কি না সেটির সিদ্ধান্ত জানার জন্য তাদেরকে ঢাকায় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে আলোচনা করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার তাকে আসতে দেবে কিনা, এটাও একটি বড় প্রশ্ন। কারণ, তিনি বিগত ২ বছর ধরে যেরূপ নিয়মিত বাংলাদেশের জনগণকে এবং আওয়ামী লীগের কর্মীদেরকে সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার উস্কানি দিচ্ছেন তার ফলে তিনি দেশে এসে কোনো নৈরাজ্য সৃষ্টি করবেন কিনা তাও সরকারকে বিবেচনা করতে হবে। 
শেখ হাসিনা যে বলছেন যে, তিনি জনগণকে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে সংগঠিত করবেন। কিন্তু কীভাবে? আওয়ামী লীগের কার্যক্রম তো নিষিদ্ধ। এছাড়া দলগতভাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার জন্য সরকার আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদি আওয়ামী লীগ দল হিসাবে নিষিদ্ধ হয় তাহলে এই জন্মে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠবে না। জার্মানিতে এবং ইটালিতে নাৎসী পার্টি এবং ফ্যাসিস্ট পার্টি আজ ৮১ বছর হলো নিষিদ্ধ রয়েছে। নুরেমবার্গ ট্রায়ালেও বলা হয়েছে যে, নাৎসী দল কোনো গণতান্ত্রিক দল নয়। বাংলাদেশেও আদালতের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা আনার প্রস্তুতি চলছে। ॥তিন॥শেখ হাসিনার ফিরে আসার ব্যাপারে ১২ জুলাই এই কলাম লেখার সময় পর্যন্ত সরকারের তরফ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ১২ জুলাই বিকালে আইসিটির চিফ প্রসিকিউটরের একটি অভিমত পাওয়া গেছে। ১২ জুলাই রোববার এক সাংবাদিক সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ও ভারতের সরকারের পারস্পরিক সমঝোতা ছাড়া দেশে এসে সরাসরি আত্মসমর্পণ করতে পারবেন না। তিনি বলেন, ‘দেশে ফিরলে বিমানবন্দরেই তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হবে।’ 
তিনি আরো বলেন, ‘শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে নির্বাসিত অবস্থায় রয়েছেন। তিনি সাধারণ নাগরিকের মতো ইচ্ছা করলেই বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন না। তাকে দেশে আসতে হলে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আসতে হবে। আর দেশে পা রাখামাত্রই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।’শেষ করার আগে একটি কথা। শেখ হাসিনা দেশে আসবেন, টুপ করে ঢুকে পড়বেন, এই ধরনের আওয়াজ স্বয়ং হাসিনা এবং ভারতীয় মিডিয়া থেকে বিগত দেড় বছর ধরেই দেওয়া হচ্ছে। 
গত ২৩ জুন ভারত থেকে ঘটা করে বলা হয়েছিলো যে, এবার আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা দিবসে আওয়ামী লীগ একটি শোডাউন করবে। এই ধরনের ব্যাপক প্রচারণার কারণে সরকার এবং রাজনৈতিক দলসমূহ আওয়ামী লীগকে মোকাবেলা করার জন্য রাস্তায় নামে। কিন্তু ২৩ জুন বাংলাদেশের কোথাও আওয়ামী লীগের টিকিটিও দেখা যায়নি। আসলে শেখ হাসিনা যেটা করছেন সেটি ভারতে অবস্থানরত এবং বাংলাদেশে বসবাসরত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ এবং ছাত্রলীগারদেরকে চাঙ্গা করার জন্য। 
Email:[email protected]



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews