মো. আসাদুজ্জামান: ঠিক এখনই এটি আমি বলতে পারছি না। কারণ, জাতীয় সংসদ থেকে একটি বিশেষ কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। কমিটি যাচাই-বাছাই করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে। এরপর সংসদে উপস্থাপন করা হবে। সংসদে আলোচনার পর এটা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত হচ্ছে, বেশ কিছু অধ্যাদেশ সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জনের প্রয়োজন হবে। সবকিছু যে সঠিকভাবে ও সাংবিধানিকভাবে হয়েছে, সেটি বলা যাচ্ছে না। যেমন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের সঙ্গে অনেকটা সাংঘর্ষিক দেখা যাচ্ছে।
এর কারণ ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি বিচারপতি নিয়োগ দেন। এখন অধ্যাদেশে একটি কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে, যেই কমিটির সভাপতি প্রধান বিচারপতি। কমিটিতে আরও সদস্য আছেন। বিচারপতি নিয়োগে এই কমিটি সুপারিশ করে। প্রধান বিচারপতি আলটিমেটলি ওই সুপারিশ ফরওয়ার্ড করবেন রাষ্ট্রপতির কাছে। এতে প্রধান বিচারপতির ক্ষমতা সংকুচিত করা হয়েছে। এটা যদি সংবিধান সংশোধন করে করা হতো, তাহলে সেখানে কোনো আপত্তির জায়গা থাকত না। কিন্তু একটি আইন (অধ্যাদেশ) দিয়ে যখনই করা হচ্ছে, তখন এটা আপাতদৃষ্টে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে হচ্ছে।