নিউইয়র্ক একাডেমি অব সায়েন্সেসের জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি ২০০০ সংখ্যায় প্রকাশিত রান্ডি থর্নহিল ও ক্রেইগ টি পালমারের লেখা ‘মানুষ কেন ধর্ষণ করে’ প্রবন্ধের কিছু কথা আমার নিজের ভাষায় পাঠকদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি: ‘আমাদের এক বন্ধু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তিনি তাঁর বন্ধুর সঙ্গে সিনেমা দেখে ফিরছিলেন। বন্ধুটি গাড়ির দরজা বন্ধ করে তাঁকে ধর্ষণ করেন। আমাদের বন্ধুটি এর পর থেকে মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে আছেন। তিনি বাইরে যেতে ভয় পান। ঘুমাতে পারেন না, খেতে পারেন না, নিজের কাজে মন বসাতে পারেন না। প্রকৃতপক্ষে ধর্ষণের শিকার অনেকেই পোস্টট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডারে ভোগেন। এর লক্ষণ হলো উদ্বেগ, স্মৃতিভ্রষ্টতা, এক বিষয় নিয়ে সারাক্ষণ ভাবা, আবেগীয় অসারতা।’