এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মূল লড়াই হচ্ছে বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর। তবে যেসব আসনে অতীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনগুলোয় বেশির ভাগ সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, সেসব আসনে ভোটের সমীকরণ নতুনভাবে গড়ে উঠছে। সারা দেশে এমন ৩০টির মতো আসন রয়েছে। এখন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, দলটি নির্বাচনে নেই। ফলে বিএনপি, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ভোটারদের সমর্থন। ফলে এই আসনগুলোর আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ভোট পেতে নানামুখী চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।
প্রথম আলোর বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, ঠাকুরগাঁও, জামালপুর ও ময়মনসিংহে আওয়ামী লীগের ভোট টানতে নানামুখী তৎপরতা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। কোথাও সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ, কোথাও কবর জিয়ারত, আবার কোথাও নিরাপত্তা ও মামলা থেকে বাঁচানোর আশ্বাস—এসব কৌশল এখন নির্বাচনী মাঠে আলোচনার কেন্দ্রে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির বহু নেতা-কর্মী আত্মগোপনে রয়েছেন, অনেকে কারাগারেও আছেন। অনেক এলাকায় আত্মগোপনে থাকা ব্যক্তিরা যেন নিরাপদে এলাকায় ফিরতে পারেন, সে ধরনের আশ্বাসও শোনা যাচ্ছে।