স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে কুকুর হত্যার খবর পেয়ে ওই এলাকায় গিয়েছিলেন জামালপুর জেলা যুবদলের সদস্যসচিব সোহেল রানা। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘খবর পেয়ে সরাসরি সেখানে গিয়ে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হই। পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি। আমরা আশা করি, এ ধরনের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডে কেউ জড়াবেন না। মানুষ যেমন ভালোবাসার দাবিদার, তেমনি অবলা প্রাণীর প্রতিও মানবিক আচরণ করা উচিত।’
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক জানান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে পুলিশ চাওয়া হয়েছিল। পুলিশ তাঁদের সঙ্গে ছিল। জড়িত ব্যক্তিকে উপজেলা প্রশাসনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে তাঁর কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।