প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর বেলা পৌনে ১১টার দিকে টিসিবির ট্রাক আসে। সোয়া ১১টার দিকে পণ্য বিতরণ শুরু হতেই নারীদের লাইনে শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। একপর্যায়ে লাইন ভেঙে যায়। যে যেভাবে পারেন, সামনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ভিড় আর ঠেলাঠেলির মধ্যে রাবেয়া খাতুন সামনে এগোতে পারেননি।
দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকার ক্লান্তি নিয়ে শেষ পর্যন্ত বেলা আড়াইটার দিকে পণ্য হাতে পান তিনি। তখন তাঁর মুখে কিছুটা স্বস্তির ছাপ দেখা যায়।
রাবেয়া খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাবা, এইহানে তো আমার আইসা লাইনে দাঁড়াইবার কথা আছিল না। আমার স্বামী কামকাজ করত। আট বছর অইল মইরা গেছে। একটা পোলা আছিল, ওর লগেই থাকতাম। হেও ১০ মাস আগে মইরা গেল। আমার তিনডা মাইয়া। ওগো বিয়া অইয়া গেছে, আলাদা আলাদা থাহে। এহন আমি একলাই অইয়া গেছি।’