কিন্তু কূটনীতিকদের নিয়োগ এবং তা পরিবর্তনের প্রক্রিয়ার ব্যত্যয় ঘটিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের উপস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্ন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার এমন ঘোষণা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সাবেক একাধিক পররাষ্ট্রসচিব ওই ঘোষণাকে ‘নজিরবিহীন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মতে, এটি পেশাদার কূটনীতিকদের কাছে ভুল বার্তা দেবে। যুক্তরাজ্য থেকে হাইকমিশনারকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে কোনো বার্তা দেওয়া হচ্ছে কি না, সে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
সাবেক ও বর্তমান কূটনীতিকদের মতে, যেভাবে একজন হাইকমিশনারকে প্রত্যাহারের তথ্য জনসমক্ষে আনা হলো, সেটা সম্মানজনক হয়নি। এতে করে শুধু হাইকমিশনারকেই ব্যক্তিগতভাবে খাটো করা হয়নি, দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ফলে এ ঘটনা ভবিষ্যতে যাঁরা পেশাদার কূটনীতিক হিসেবে যোগ দিতে আগ্রহী, তাঁদের নিরুৎসাহিত করবে।