হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অভিযান চালিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কিংবা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার এই চেষ্টা ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের কোনো নতুন উদ্ভাবন নয়।
আজ থেকে ঠিক ২০০ বছর আগে, ১৮২৫ থেকে ১৮২৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে, কমোডর জন রজার্সের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী নৌবহর ভূমধ্যসাগরে পাঠানো হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল গ্রিক জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে রক্ষা করা।
নতুন স্বাধীন হওয়া আমেরিকান প্রজাতন্ত্র সেই সময়ে ‘স্বাধীনতা’ নিয়ে যত বড় বড় কথাই বলুক না কেন, অটোমান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে গ্রিস যখন স্বাধীনতাযুদ্ধ করছিল, তখন মার্কিন নৌবহর গ্রিকদের কোনো সাহায্যও করেনি। তাদের একমাত্র স্বার্থপর উদ্দেশ্য ছিল মার্কিন বাণিজ্য, বাজার এবং ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষা করা।
তেহরানে ‘জনগণের বিপ্লব’ ঘটানোর আহ্বান থেকে সরে আসার পর ট্রাম্পের এই ঝুঁকিপূর্ণ ইরান নীতির পেছনেও এখন কেবল সেই একই স্বার্থই বেঁচে রয়েছে।