আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে সখ্যতা ছিল মাহফুজা আক্তার কিরণের। এতটা সখ্যতা যে, ২০০৯ সালে ঢাকায় এসএ গেমসে বাংলাদেশের দলনেতাও হয়েছিলেন। ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর অনেকের ধারণা ছিল ফুটবল থেকে তাঁর বিদায় নিশ্চিত। কিন্তু কিরণ পুনরায় ফুটবল ফেডারেশনে নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর প্রভাব তো কমেইনি বরং বেড়েই চলেছে। এজন্য বলা হচ্ছে, কিরণের খুঁটির জোরটা কোথায়। কাজী সালাউদ্দিন ২০০৮ সালে বাফুফের সভাপতি হওয়ার পরই কিরণের আগমন। বারবার নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জয়ী হয়ে ফেডারেশনে তিনি আলাদা জায়গা করে নেন। বর্ষীয়ান সংগঠক সিরাজুল ইসলাম বাচ্চুর মৃত্যুর পর কিরণই বাফুফের নারী কমিটির চেয়ারম্যান হন। এতটা প্রভাবশালী ছিলেন কেউ তাঁকে চেয়ারপারসনের পদ থেকে সরানোর চিন্তা করেননি।
তাবিথ আউয়ালের নেতৃত্বে নতুন কমিটি হওয়ার পর নারী চেয়ারপারসনের পথটি ধরে রেখেছেন। যে হুঙ্কার করেন তাতে মনে হয় সভাপতির পর তিনিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন। এবার পদটি ধরে রাখতে পারবে কি না তা নিয়ে কথা উঠেছে। বাফুফের নির্বাহী কমিটির অধিকাংশই সদস্যই তাঁর আচরণে সন্তুষ্ট নন। কারও সঙ্গে আলাপ না করে একাই সব সিদ্ধান্ত নেন। সভাপতিও এখানে নীরব থাকেন। সদস্যরা এখন কিরণের ব্যাপারে অভিযোগ তুলেছেন। নারী ফুটবল উন্নয়নে কিরণকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরানোর তাগাদা দিয়েছেন। হয়তো এই ক্ষোভ থেকে কিরণ দীর্ঘদিন ধরে রাখা পদটি হারাতে বসেছেন।