বিনোদন জগতের দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানকে নিয়ে ভারতের স্বাধীনতা দিবস কেন্দ্র করে সমালোচনার গুঞ্জন উঠেছে। যদিও অভিনেত্রী ঢালিউডের পাশাপাশি টালিউডেও সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। 

১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস প্রাক্কালে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও একটি প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল মধ্যরাতের এক পদযাত্রা।

কলকাতার রাজপথে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চৈতি ঘোষাল, ইন্দ্রাণী হালদারদের সঙ্গে পা মেলান বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসানও। এ পদযাত্রায় হাঁটতে দেখে অনেকেই ভ্রু কুঁচকেছেন। অনেকেই বিদ্রুপ করছেন। সমালোচনায় বিদ্ধ বাংলার বাঘিনী জয়া। 

বাংলার নন্দিত অভিনেত্রীকে দেখে টালিপাড়ার অন্যতম ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র চুপ থাকলেন না। জয়া আহসানকে বিঁধে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন তিনি। সেই পোস্ট শেয়ার করে নিজের মতামত রাখলেন মোদির পোস্টার ইস্যুতে সদ্য বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা শ্রীলেখা মিত্র।

সেই পোস্টে প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী, ‘জয়া আহসান কবে থেকে ভারতীয় হয়ে উঠল, প্লিজ জানাবেন। আজন্ম আমি জেনে এসেছি— ১৫ আগস্ট ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়েছিল? আর কদিন আগে অবধি 'দিপু দাস হত্যাকাণ্ড' নিয়ে ভারতবর্ষ তোলপাড় হয়েছিল। রিসেন্টলি দিলীপ ঘোষ মহাশয় ভারতীয় মুসলমান গোষ্ঠীকে নামাজ পড়তে হলে পাকিস্তান চলে যাওয়ার সাজেশন অবধি দিয়েছেন।...জয়া আহসান হচ্ছেন সনাতনী, পিওর, আদি ও আসল ভারতীয়। নেতাজির পূর্বপুরুষ। আমার উত্তর চাই কেন? জয়া এহসান থেকে তাসলিমা নাসরিন, তা হলো— তাদের জন্মভূমির কাছে দেশদ্রোহী।

এই পোস্ট শেয়ার করে শ্লেষাত্মক বার্তা শ্রীলেখার, ‘ধর্ম...ধান্দা...ও দেশপ্রেম... বাকিরা দেশদ্রোহী... হিংটিংছট’।

যদিও মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের বিশেষ আমন্ত্রণেই এ ওয়াকাথনে যোগ দেন জয়া আহসান। ঢাকায় ফেরার টিকিট বাতিল করে ইমন-পৌষালীদের সঙ্গে গলা মেলান ‘কারার ঐ লৌহকপাট' থেকে ‘অ্য়ায় মেরে ওয়াতনকে লোগো’তে। 

তবে শুধু ভারতের স্বাধীনতার উদযাপন নয়, এই ওয়াকাথন ছিল নারীদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং সমমর্যাদার বার্তা দেওয়ার উদ্যোগ। সেই তাগিদ থেকেই রাজপথে হাঁটেন অভিনেত্রী।

শ্রীলেখা মিত্রের সেই পোস্টের কমান্ডবক্সে জয়া আহসানকে বিদ্রুপ করে এক নেটিজেন লিখেছেন—ঋতুপর্ণার পাশে এটা সেই শুক্রবারি খালা' না? এর উত্তরে শ্রীলেখা লিখেছেন—না, উনি।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews