শনিবার ভোরে তৃতীয় উপসাগরীয় যুদ্ধের প্রথম আঘাত হানার পর ইসরায়েলের অনেক মানুষ এবং কিছু প্রবাসী ইরানি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের বহু শীর্ষ ব্যক্তি নিহত হন।
এই যুদ্ধ শুরু হয়েছে এক ভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে। জেনেভা ও ওমানে তখন ইরান ও পশ্চিমাদের মধ্যে আলোচনা চলছিল। ইরান প্রস্তাব দিয়েছিল, তারা তাদের সব উচ্চমাত্রাসমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে কমিয়ে দেওয়ার। যাতে তা আর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহারযোগ্য না থাকে।
এই প্রস্তাবের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ শুরু করেন। ফলে অনেকের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়, আলোচনা আসলে শুরু থেকেই একটি প্রহসন ছিল। গত জুনেও একই ধরনের আলোচনা চলার সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালিয়েছিল।