দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন পুরুষ ও একজন মহিলা ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়োগের দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরকার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন (বিপিএ)-এর নেতৃবৃন্দের সাথে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় তিনি এই আশ্বাস দেন।
সভায় বিপিএ নেতৃবৃন্দ দেশের সাধারণ মানুষের বাতব্যথা, পক্ষাঘাত (প্যারালাইসিস), স্ট্রোক-পরবর্তী জটিলতা এবং বিভিন্ন ধরনের শারীরিক অক্ষমতা মোকাবিলায় ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তৃণমূল জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তারা উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ফিজিওথেরাপি সেবা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যসেবায় এই খাতের ভূমিকার প্রশংসা করে জানান, জনগণের দোরগোড়ায় পুনর্বাসন সেবা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিটি উপজেলায় ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়োগের বিষয়টি দ্রুত কার্যকর করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
সভায় বিপিএ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, গণস্বাস্থ্য ফিজিওথেরাপি কলেজ অব হেলথ সায়েন্স-এর অধ্যক্ষ ডা. মহিউদ্দিন মামুন, বাংলাদেশ ফিজিক্যাল থেরাপি এসোসিয়েশন-এর সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং ফিজিওথেরাপি পেশার কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব প্রফেসর ড. আলতাফ হোসেন সরকার উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন (বিপিএ)-এর পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরকার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) প্রদান করা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।