কাজের ধাপ বর্ণনা করতে গিয়ে আবদুল্লাহ বলেন, নারায়ণগঞ্জ থেকে আনা হয় বাটিকের প্রধান কাঁচামাল সুতি কাপড়। কাটা অবস্থায় কিংবা রোল করা অবস্থায় আসা এসব সুতি কাপড় থেকে শাড়ি কিংবা থ্রি–পিসের মাপে কেটে নেওয়া হয়।
নির্দিষ্ট মাপে কেটে নেওয়া কাপড় স্তূপাকারে রাখা হয়। একে একে মোমের মাধ্যমে সুতি কাপড়ের ওপর নকশা করা হয়। কাপড়টিকে কাগজ দিয়ে বেঁধে, পেঁচিয়ে রঙে ডুবিয়ে রং করা হয়। এক পাশ হয়ে এলে অন্য পাশেও রং করার প্রয়োজন পড়ে।
রং করা হয়ে গেলে গরম পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হয়, যাতে নকশা করার জন্য ব্যবহৃত মোম গরম পানিতে গলে কাপড় থেকে সরে যায়। এবার মাড় দিয়ে শুকানোর পর ইস্তিরি করে বাজারজাত করার জন্য প্রস্তুত করা হয়।