‘এইখানে এসে যা দেখলাম, তা দেখার জন্য কেন আসছি, তাই তো বুঝতে পারছি না’ বলতে বলতে গাজীপুর সাফারি পার্ক থেকে বের হচ্ছিলেন তিনি। গরমে ঘেমে একাকার হয়েছিলেন। এই ব্যক্তির সঙ্গে ছিলেন তিন ছেলে ও স্ত্রী, তাদেরও একই অবস্থা।
গত ২৮ মার্চ গাজীপুর সাফারি পার্কে গেলে কথা হয় মধ্যবয়সী এই ব্যক্তির সঙ্গে। এই বিনোদনকেন্দ্র নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করলেও নিজের নাম–পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি তিনি।
এই ব্যক্তির বিরক্তির কারণগুলো খুঁজে পাওয়া গেল সাফারি পার্ক ঘুরে আসার পর। বাঘ ও সিংহ পর্যবেক্ষণের সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া–দাওয়া সারা যাবে, এমন যে দুটি রেস্তোরাঁ রয়েছে, দুটিই বন্ধ। বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সম্পর্কে দর্শনার্থীকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করতে যে প্রকৃতি বীক্ষণ কেন্দ্র, সেটিও বন্ধ। দর্শনার্থীদের জন্য বানানো দুটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, প্যাডেল বোটে ভ্রমণ, এগ ওয়ার্ল্ড, হাতি শো গ্যালারি, শিশুপার্ক সবই বন্ধ। পার্কের ভেতরে কোনো স্যুভেনির শপ নেই। দেশি–বিদেশি পর্যটকদের জন্য কোনো গাইড নেই। একটি হুইলচেয়ার ছাড়া প্রতিবন্ধী দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নেই।