এই বিচারে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রাজসাক্ষী করা এবং আরেকটি মামলায় রাজসাক্ষী করার ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন ট্রাইব্যুনালেরই একজন প্রসিকিউটর বি এম সুলতান মাহমুদ।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম নিজের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ‘জঘন্য মিথ্যাচার, তথ্য প্রমাণবিহীন এবং আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার দুরভিসন্ধি থেকে করা হয়েছে’ বলে দাবি করেছেন।
বিবৃতিতে তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘উক্ত বক্তব্যসমূহ জঘন্য মিথ্যাচার, তথ্য প্রমাণবিহীন এবং আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার দূরভিসন্ধি থেকে করা হয়েছে। উক্ত বিদ্বেষপ্রসূত ও অভিযোগগুলো সর্বতোভাবে মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, আমার বিরুদ্ধে আনীত এসব অভিযোগের স্বপক্ষে সামান্য তথ্য প্রমাণও কেউ দেখাতে পারবে না। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে আমি এবং প্রসিকিউশন টিমের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল স্বচ্ছ এবং আইনানুগ।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি মনে করি পতিত স্বৈরাচার এবং গণহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে নিস্পত্তিকৃত এবং চলমান বিচার প্রক্রিয়া থেকে দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি মহল সংঘবদ্ধভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে, যাতে এই বিচার আর কোনোভাবে অগ্রসর না হতে পারে।’
বিবৃতিতে তাজুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব পালনকালে আমার বিরুদ্ধে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ কেউ পায়নি। আমি বিদায় নেয়ার পর বিশেষ মহল গণহত্যাকারীদের সুবিধা দেয়ার জন্য এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই ধরনের মিথ্যাচার এবং ঘৃণ্য অপতৎপরতা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানাচ্ছি।