জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, গণভোটে জনগণের স্পষ্ট মতামত থাকা সত্ত্বেও সরকার সেই রায় অস্বীকার করেছে। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা তাদের দায়িত্ব ছিল, কিন্তু তারা তা করেনি। শনিবার রাজধানীর বাংলা মোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট শীর্ষক জাতীয় কনভেনশন’ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন তিনি।
আখতার হোসেন বলেন, দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের পর হঠাৎ দাম বাড়ানো হলো, এরপর আবার লাইন উধাও হয়ে গেল—এটা স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন তৈরি করে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পর প্রায় ৭০ শতাংশ জনগণ গণভোটে একপক্ষে মত দেওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি ঐকমত্য তৈরি হয়েছিল। সে অনুযায়ী দ্রুত সংস্কার বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু আমরা দেখলাম, সরকার গঠন করার পর সেই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসা হয়েছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পরিবর্তে সেটিকে কখনো ‘প্রতারণার দলিল’, কখনো ‘অসাংবিধানিক’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের মৌলিক কাঠামোয় পরিবর্তন আনতে হলে একটি উচ্চতর কাঠামোর প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন। সেই প্রয়োজন থেকেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের ধারণা এসেছে, যা আগে কোনো দলই প্রত্যাখ্যান করেনি।
ব্যাংক খাত নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আখতার বলেন, যারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে, তাদের জন্য খুব সামান্য অর্থ ফেরত দিলেই মালিকানা ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। এতে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের লুটপাটের পথ খুলে যাবে।