দিনভর দফায় দফায় আলোচনা। লিয়াম রসেনিয়র চেলসির কোচ থাকছেন, নাকি এফএ কাপের আগেই তাকে বরখাস্ত করা হবে। অবশেষে নীতি-নির্ধারকদের সম্মতিতে এখনই চেলসি অধ্যায় শেষ হলো এই ইংলিশ কোচের।

বুধবার এক বিবৃতিতে রসেনিয়রের বরখাস্তের খবর নিশ্চিত করে চেলসি। দায়িত্ব গ্রহণের চার মাস পর বরখাস্ত হয়েছেন এই ইংলিশ কোচ। স্ট্যাম্পফোর্ড ব্রিজের ক্লাবটির সঙ্গে ছয় বছরের চুক্তি ছিল তার। 

রসেনিয়রের দায়িত্বকালে ২৩ ম্যাচের ১০টিতে হার, দুটিতে ড্রয়ের বিপরীতে ১১টি ম্যাচ জিতেছে দ্য ব্লুজরা। যা চেলসির সহস্রাব্দের ইতিহাসে কোনো স্থায়ী কোচের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত মাসে চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির কাছে ৫-২ গোলে হারার পর থেকেই পতন শুরু হয় ক্লাবটির। ১৯১২ সালের নভেম্বরের পর (টাইটানিক ডোবার সাত মাস পর) এই প্রথম টানা পাঁচ ম্যাচে কোনো গোল না করেই হারের তেতো স্বাদ পেল চেলসি।

সবশেষ প্রিমিয়ার লিগে ব্রাইটনের বিপক্ষে হারের পর বুধবার জরুরি বৈঠকে বসে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। 

যুক্তরাজ্যভিত্তিক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘স্ট্যান্ডার্ড স্পোর্ট’-এর তথ্য অনুযায়ী, ৪১ বছর বয়সী ইংলিশ কোচ লিয়াম রসেনিয়রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বুধবার দিনভর দফায় দফায় আলোচনা করেছে ক্লাবের নীতি-নির্ধারকরা। গত আট ম্যাচের মধ্যে সাতটি এবং টানা পাঁচ ম্যাচে হেরেছে চেলসি। আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়স লিগে খেলার স্বপ্ন এখন সুদূরপরাহত।

জানুয়ারির শুরুতে দায়িত্ব নেওয়ার পর এতদিন টিম এবং ম্যানেজম্যান্ট নিয়ে চুপ থাকলেও এই প্রথম হারের জন্য সরাসরি খেলোয়াড়দের দায়ী করেছেন রসেনিয়র। ব্রাইটনের বিপক্ষে পারফরম্যান্সকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ ও ‘অমার্জনীয়’ বলে আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, তার শিষ্যরা ৮০ শতাংশ ডুয়েল (বল দখলের লড়াই) হেরেছে এবং তাদের মধ্যে কোনো লড়াই করার মানসিকতা ছিল না।

মঙ্গলবার ব্রাইটনের মাঠে উপস্থিত ছিলেন চেলসির সহ-মালিক বেহদাদ এগবালি এবং স্পোর্টিং ডিরেক্টর পল উইনস্ট্যানলি। সেখানে সমর্থকরা কোচের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি ‘ব্লু-কো’ মালিকানাধীন গোষ্ঠীকে ক্লাব ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে ব্যানার প্রদর্শন করেন। 

এতকিছুর পরও রসেনিয়রের বিশ্বাস ছিল, তিনি চাকরি হারাচ্ছেন না। সোমবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘মালিকপক্ষের সঙ্গে আমার প্রতিদিন কথা হয়। আমার প্রতি খুবই ইতিবাচক। স্পোর্টিং ডিরেক্টররাও আমার এবং দলের প্রতি দারুণ সমর্থন দেখাচ্ছেন।’

বিডি প্রতিদিন/নাজিম



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews