বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘অংশগ্রহণকারী দেশগুলো দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করে যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা যৌথ দায়িত্ব। যৌথ ও আন্তরাষ্ট্রীয় সামুদ্রিক হুমকি মোকাবিলার জন্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় এর মূল ভিত্তি।’
জোটের প্রতিটি দেশ ঠিক কী ধরনের জাহাজ বা বিমান দিয়ে অবদান রাখবে, সৌদির ঘোষণায় তা উল্লেখ করা হয়নি। তবে তাদের কার্যক্রমের মধ্যে থাকবে গোয়েন্দা তথ্য ও পরিকল্পনা বিনিময় করা; পাশাপাশি যৌথ মহড়া ও সামুদ্রিক অভিযান পরিচালনা করা।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এ জোট ‘সম্পূর্ণরূপে আত্মরক্ষামূলক প্রকৃতির হবে এবং কোনো দেশকে লক্ষ্য করে এই জোট গঠিত হয়নি’।
সৌদি আরবকে এ জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর সদর দপ্তর হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তবে বিবৃতিতে সদর দপ্তরের সঠিক অবস্থান নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি।