পাশাপাশি সভায় বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ রাখা হবে। যাঁদের কারখানা সম্প্রতি বন্ধ হয়েছে, তাঁদের স্বল্পমেয়াদি অর্থায়ন করা হবে। যাঁদের কারখানা দুই থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বন্ধ হয়েছে ও গ্যাস-বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন, তাঁদের জন্য মধ্যমেয়াদি অর্থায়ন ও যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে পড়া কারখানার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ঋণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ জন্য একটি পুনঃ অর্থায়ন তহবিল গঠন করা হবে। এটি সরকারের অর্থায়নে হতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকাররা জানান, নীতি–সহায়তার আওতায় ৩০০ গ্রুপের এক হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানের ঋণ নিয়মিত করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান চালু হলেই দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা গতি ফিরতে পারে। তাঁরা আরও জানান, যাঁদের কারখানা চালু আছে, তাঁদের এমনিতে অর্থায়ন করা হচ্ছে। বন্ধ কারখানায় অর্থায়ন করতে গেলে আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে। কারণ, বন্ধ কারখানার খেলাপি ঋণের বিপরীতে ইতিমধ্যে মামলা চলমান আছে।

সভায় একটি ব্যাংকের প্রতিনিধি বলেন, ‘আমাদের খেলাপিরা টাকা নিয়ে বিদেশে চলে গেছে। তাদের বিষয়ে কী হবে।’ তখন ডেপুটি গভর্নর বলেন, এর সমাধান নেই।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews