সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং পরিবারের ব্যানারে মানববন্ধন হয়। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মানববন্ধন চলে। আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য বক্তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন। তা না হলে বড় আন্দোলন দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
মানববন্ধনে আসমার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান অভিযোগ করে বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসিসহ তদন্ত কর্মকর্তাকে বিশ্বাস করতে পারছি না। তাঁরা বিভিন্ন ধরনের কথা বলছে। তাঁদের প্রতি আস্থা নাই।’
গত বুধবার বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দপ্তরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা (৩৫) নিহত হন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে (৩৫) ওই কক্ষ থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সেদিন থেকেই তাঁকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।