জন্মনিবন্ধনে মা হিসেবে যার নাম, সমাজে যিনি নিজের মেয়ে হিসেবেই বড় করেছেন, ১৫ বছর পর এসে সেই মা দাবি করছেন, ‘সে আমার মেয়ে নয়’। রাজশাহীর প্রখ্যাত গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. শিপ্রা চৌধুরীর এমন দাবিতে পরিচয় সংকটে পড়েছেন ১৮ বছর বয়সি তরুণী ক্লাউডিয়া চৌধুরী পায়েল।

২০০৮ সালে রাজশাহী সিটি করপোরেশনে করা পায়েলের জন্মনিবন্ধনে মা হিসেবে ডা. শিপ্রা চৌধুরী এবং বাবা হিসেবে ডা. ওবায়দুর রহমানের নাম উল্লেখ ছিল। তবে ২০২২ সালে পারিবারিক টানাপোড়েনের এক পর্যায়ে পায়েলকে জানানো হয়, তিনি আসলে পালিত সন্তান। তার আসল বাবা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার একজন রাজমিস্ত্রি। শুধু মৌখিকভাবেই নয়, ২০২৩ সালে পায়েলের জন্মনিবন্ধনের তথ্য সংশোধন করে বাবা-মা হিসেবে শিবগঞ্জ উপজেলার বাবুল মিয়া ও টগরী বেগমের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এমনকি ২০১০ সালে মেয়ে পরিচয়ে পায়েলকে দেওয়া জমিও ফেরত চেয়ে মামলা করা হয়েছে।

সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, ডা. শিপ্রা এই সংশোধনের আবেদন করেন। তখন তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘আপনি তখন মা হিসেবে জন্মনিবন্ধনে স্বাক্ষর করলেন কেন? তাহলে তো আপনি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।’ তবে এ বিষয়ে ডা. শিপ্রা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। এদিকে সংশোধিত নিবন্ধনে নাম থাকা মা টগরী বেগম দাবি করেছেন, পায়েল তাদের জৈবিক সন্তান নন। তবে বাবা বাবুল মিয়া জানান, ছোটবেলায় ডা. শিপ্রা শিশুটিকে নিয়ে যান। শর্ত ছিল তিনি কখনো পায়েলকে নিজের মেয়ে দাবি করতে পারবেন না।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক হায়দারী জানান, উইল করে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এখন জন্মনিবন্ধনে পরিচয় পরিবর্তন করা হয়েছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews