উদ্যোক্তারা জানান, ২০১৭ সালে পরীক্ষামূলকভাবে ৫০টি চারা রোপণ করেন তাঁরা। শুরুতে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করলেও আট মাসের মাথায় গাছে ফল আসতে শুরু করে। পরে ধাপে ধাপে বাগান সম্প্রসারণ করা হয়। ২০২২ সালে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে ২০০ কেজি আঙুর বিক্রি করেন তাঁরা। পরের বছর উৎপাদন বেড়ে হয় ৪০০ কেজি। ২০২৪ সালে ৬০০ কেজি এবং গত বছর ৮০০ কেজি আঙুর সংগ্রহ করা হয়। চলতি মৌসুমে নতুন আরও ১০টি গাছসহ বর্তমানে ৬০টি গাছে ফল ধরেছে।
বর্তমানে বাগানে জুপিটার, কার্নিভ্যাল, হেলিওডর, শাইন মাসকাট, ব্ল্যাক রুবি, ফ্লেম সিডলেস ও লাম্বোরগিনিসহ প্রায় ২০টি জাতের আঙুরের চারা রয়েছে। উদ্যোক্তারা জানান, প্রতিটি চারা ৩০০ টাকা থেকে কয়েক হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
উদ্যোক্তা হাসেম আলী বলেন, ইউক্রেনে থাকা এক বন্ধুর কাছ থেকে প্রথম আঙুর চাষের ধারণা পান তিনি। পরে ভাগনে রুহুল আমীনের সঙ্গে আলোচনা করে যৌথভাবে বাগান গড়ে তোলেন। তিনি বলেন, ‘অনেক বাধা ছিল। কিন্তু এখন সফলতা পেয়ে ভালো লাগছে। এ বছর খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৯ লাখ টাকা লাভ হবে বলে আশা করছি।’