একবার ভেবে দেখুন তো, লন্ডনে বসে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যদি স্কটদের বলে দেন যে—তাদের নিজস্ব পার্লামেন্ট, ফুটবল দল বা জাতীয় পতাকা থাকবে না! কিংবা ওয়েলশবাসীকে বলে দেওয়া হলো—তাদের ভাষা ও সাহিত্য নিষিদ্ধ, স্কুলে তা আর শেখানো যাবে না! এমনটা হলে কী হতো? ক্ষোভের আগুনে হয়তো পুরো যুক্তরাজ্যই ফেটে পড়তো।
অথচ চীনজুড়ে ঠিক এই কাজই করছেন দেশটির কমিউনিস্ট সম্রাট সি চিন পিং। চীনের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯ শতাংশ; অর্থাৎ সাড়ে ১২ কোটি মানুষই কোনো না কোনো ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বা ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য। তাদের ওপরই এখন এটি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সি চিন পিংয়ের দাবি, নতুন ‘জাতীয় সংহতি’ আইনের মাধ্যমে দেশের ঐক্য জোরদার হবে এবং সবাইকে মূলধারায় যুক্ত করা যাবে। মান্দারিন ভাষা সবার জন্য বাধ্যতামূলক করলে নাকি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে, কাজের সুযোগ বাড়বে। সি প্রায়ই বলেন, চীনের শক্তি বাড়াতে সব সংখ্যালঘু জাতিকে ‘ডালিমের দানার মতো একে অপরের সঙ্গে শক্ত করে জমে থাকতে হবে।’